প্রকাশ: ০৪:৫১, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেড নিউজ ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরে যাওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। অঞ্চলটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘জঘন্য ও অপরাধমূলক উপস্থিতি’ থেকে মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে বাহিনীটি।
আইআরজিসির এই সতর্কবার্তার পাশাপাশি ইরানের সামরিক বাহিনীও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তারা তথ্য পেয়েছে। ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ বলেছে, নতুন করে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও স্বার্থে পাল্টা হামলা চালানো হবে।
অন্যদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ইরান আন্তরিকভাবে আলোচনায় ফিরতে চাইলে এখনো ‘আলোচনার টেবিলে’ ফেরার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
এদিকে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধ অবসান ও আলোচনায় ফেরার বিষয়ে কয়েকটি শর্ত জানিয়েছে ইরান। দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব শর্তের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ, ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড় এবং নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয় রয়েছে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহান্তে মাত্র ১৭টি পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২৫টি পণ্যবাহী জাহাজ এই নৌপথ ব্যবহার করত।
এদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ইরানের সব বিমান সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ইরানি বিমান সংস্থাগুলোকে সেবা দেওয়া বিদেশি বিমানবন্দর, জ্বালানি সরবরাহকারী ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ইরান এয়ার জানিয়েছে, তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহান থেকে ইরাকের নাজাফে তাদের ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত থাকবে। ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এবং ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্সআইনি পরামর্শ নিন
শীর্ষ সংবাদ: